30 C
Agartala
Saturday, September 12, 2026

Buy now

spot_img

বিদ্যুৎ মাশুল নির্ধারনের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের কোন ভূমিকা থাকেনা: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আগরতলা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : গত কিছুদিন ধরে রাজ্যের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মধ্যে বিদ্যুৎ মাশুল নিয়ে অসন্তোষের বাতাবরণের খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। রাজ্য সরকারও এই বিষয়ে অবগত রয়েছে এবং আগামী কিছু দিনের মধ্যেই বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য সরকার সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কারণ এই সরকার সাধারণ জনগণ বান্ধব সরকার। মঙ্গলবার  সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এই কথা জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহার সভাপতিত্বে বিদ্যুৎমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী সহ মুখ্যসচিব, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সচিবগণদের নিয়ে এই বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে সাংবাদিক সম্মেলনে জানান তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে বিদ্যুৎ মন্ত্রী বিস্তারিতভাবে বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণের প্রক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, রেগুলারেটি কমিশন বিদ্যুৎ মাশুল নির্ধারণ করে। এটি একটি নিরপেক্ষ সংস্থা। বিদ্যুৎ মাশুল নির্ধারণের পূর্বে কমিশন মাশুল সংক্রান্ত বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করে। এই ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তি বা সংস্থার দাবি অথবা পরামর্শের ভিত্তিতে কমিশন কর্তৃক বিদ্যুৎ বিল পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয় বিবেচনা করে নিগমের কাছে চূড়ান্ত বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণের জন্য প্রেরণ করা হয়। বিদ্যুৎ নিগম ফিক্সড চার্জ, ফুয়েল এন্ড পাওয়ার পার্চেস কস্ট এডজাস্টমেন্ট এবং কমিশন নির্ধারিত বিদ্যুৎ মাশুল যোগ করে চূড়ান্ত বিদ্যুৎ বিল ধার্য করে। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের কোন ধরণের ভূমিকা থাকেনা। অর্থাৎ বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে কমিশন এবং নিগম দ্বারা পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পর থেকে বিদ্যুৎ নিগম এই পদ্ধতিতেই কাজ করে আসছে। তিনি বলেন, বর্তমানে রাজ্যে ১০ লক্ষ ৬৮ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। এর মধ্যে ৪ লক্ষের বেশী গ্রাহকের বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসানো হয়েছে। ১ লক্ষ ৬৪ হাজারটি বাড়িতে প্রি-পেইড মিটার বসানো হয়েছে। বিদ্যুৎ মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সরকারের আমলে ২০১৫ সালে রাজ্যে স্মার্ট মিটার বসানোর জন্য ৮০ কোটি ৭ লক্ষ টাকার ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু করা হয়েছিল। কাজ সম্পূর্ণ করার সময়সীমা ছিল ২ বছর। মার্চ ২০১৫ থেকে জুন ২০২২ ক্যাগ-এর রির্পোট অনুযায়ী এই ওয়ার্ক অর্ডারের ভিত্তিতে বসানো কোন মিটারই বর্তমানে কার্যরত অবস্থায় নেই। বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেন, যেসকল গ্রাহকদের এই বছরের গত মে মাস থেকে এই সময় পর্যন্ত অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল এসেছে তাদের ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ তদন্তের পরেই বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ করার জন্য দপ্তরের সকল স্তরের আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles