31.5 C
Agartala
Saturday, June 13, 2026

Buy now

spot_img

বর্তমান প্রজন্মকে রবীন্দ্রনাথের চিন্তা-চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: শিল্পমন্ত্রী

আগরতলা, ৯ মে, ২০২৬ : তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আজ রবীন্দ্র কাননে প্রভাতী কবি প্রনাম অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মর্মর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্তনা চাকমা, আগরতলা পুর নিগমের কর্পোরেটর সম্পা সরকার চৌধুরী, রাজ্যভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী, শিল্পী দেওয়ান, সান্ত্বনা সাহা, বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কাবেরী গুপ্তা, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য সহ শিল্পী, সাহিত্যিক ও গুণীজনগণ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্তনা চাকমা বলেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন এক বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, উপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, দেশপ্রেমিক, দার্শনিক, সঙ্গীতজ্ঞ, গল্পকার ও চিত্রশিল্পী। তাঁর অমর সৃষ্টি আমাদের হৃদয় স্পর্শ করে। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁর ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে পরাধীন ভারতে দেশবাসীকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গভঙ্গ এর বিরোধীতা করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি রাখীবন্ধন উৎসবের প্রবর্তন করেন। তাই বর্তমান প্রজন্মকে রবীন্দ্রনাথের চিন্তা-চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। তাঁর আদর্শকে স্মরণ করে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদর্শে জাতি, জনজাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবার প্রয়াস নিয়েছে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি রাজ্যভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন মানবতাবাদী কবি। সাহিত্যের এমন কোন শাখা ছিল না যেখানে তিনি বিচরণ করেন নি। বর্তমান প্রজন্মকে রবীন্দ্র চর্চায় যাতে আরও উদ্বুদ্ধ করা যায় সে লক্ষ্যেই আজ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। স্বাগত ভাষণে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন গুণাবলী তুলে ধরে বলেন, আমাদের রাজ্যের সঙ্গেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিবিড় যোগাযোগ ছিল। তিনি বলেন, আজ এই অনুষ্ঠানের মতো সারা রাজ্যে বিভিন্ন সংস্থাও এরূপ অনুষ্ঠান করার উদ্যোগ নিয়েছে। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে বিভিন্ন মহকুমাতেও এরূপ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার প্রায় ২৫০ জন শিল্পী বাংলা ও ককবরকে একক ও সমবেত রবীন্দ্র সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles