আগরতলা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়কে উত্তর-পূর্ব ভারতের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম প্রধান কেন্দ্রে পরিণত করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা।শুক্রবার ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে মহারাজা বীর বিক্রম শতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৮৭ সালে সীমিত সংখ্যক বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে রাজ্যের শিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২০০৭ সালে সংসদীয় আইনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, জীববৈচিত্র্য ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য গবেষণার জন্য বিপুল সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আন্তঃবিভাগীয় গবেষণা, উদ্ভাবন, উদ্যোগপতি তৈরি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।রাজ্যে উচ্চশিক্ষার সম্প্রসারণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ২০১৮ সাল থেকে সাতটি নতুন সরকারি ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কলেজগুলিতে শিক্ষক নিয়োগ, নতুন পরিকাঠামো নির্মাণ এবং জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ বাস্তবায়নের কাজ চলছে।শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী জ্ঞান, দক্ষতা ও চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী কিশোর বর্মণ বক্তব্য রাখেন। তাঁর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, আচার্যসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়। শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য শিক্ষক ও কর্মীদের সংবর্ধনাও দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।






