আগরতলা : কেন্দ্রীয় সরকার এল পি জি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে এবং টি এন জি সি এল এই পরিস্থিতিতেই সি এন জি এবং পি এন জি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে। এস ইউ সি আই (সি) অতি আবশ্যক পণ্য রান্নার গ্যাসের এই মূল্য বৃদ্ধির তীব্র বিরোধীতা করে বুধবার আগরতলার বটতলায় এক বিক্ষোভ সভা করে। বক্তব্য রাখেন দলের রাজ্য সাংগঠনিক কমিটির সদস্য সুব্রত চক্রবর্তী এবং সম্পাদক অরুন ভৌমিক। বক্তাগণ বলেন যে ইরান ও আমেরিকা-ইজরায়েল-এর যুদ্ধের অজুহাতে সারা দেশজুরে এল পি জি সিলিন্ডার গ্যাসের (ডমেস্টিক এবং কমার্শিয়াল) আকাল দেখা দিয়েছে এবং এই সুযোগে সরকার ব্যাপক দাম বৃদ্ধি ঘটাল। তাতে দেশের হোটেল সহ ঘরে ঘরে খাদ্য তৈরিতে ব্যাপক সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তর জনসংখ্যা সম্বলিত ভারতের শাসকরা এই অতি আবশ্যক পণ্যের কয়েকমাসের মজুতও রাখেনি। গ্যাস নিয়ে কালোবাজারী চলছে। এই সুযোগে মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়ে জনগণের পকেট কেটে গ্যাস কোম্পানীগুলিকে কোটি কোটি টাকা পাইয়ে দেবার ব্যবস্থা করেছে। ভারত যখন রাশিয়া থেকে কম দামে তেল আমদানী করে হাজার হাজার কোটি টাকা তেল কোম্পানীগুলি লাভ করেছে, তখন কিন্তু সরকার দেশে পেট্রোল ডিজেলের দাম কমায়নি। এইরূপ পরিস্থিতিতে ত্রিপুরার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহকারী কোম্পানী টিএনজিসিএল সিএনজি এবং পাইপ লাইন গ্যাসের মূল্যও বৃদ্ধি ঘটাল। এই গ্যাস ত্রিপুরা থেকে উত্তোলিত প্রাকৃতিক গ্যাস। আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। এমনিতেই ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধি ও রোজগারের অভাবে জনজীবন বিপর্যন্ত তখন রান্নার গ্যাসের আকাল ও মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনকে আরও বিপন্ন করে তুলছে। এস ইউ সি আই (সি) এই মূল্যবৃদ্ধির তীব্র বিরোধীতা করছে এবং অবিলম্বে এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। সাথে সাথে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ সুনিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে এবং জনসাধারণকে এই দাবি নিয়ে আন্দোলনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ।





