আগরতলা, ২৬ এপ্রিল : ইক ফাই বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য মোট ৫৯টি পেশাগত কোর্সের প্রসপেক্টাস প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে নুতন করে চালু হয়েছে নয়টি কোর্স। রবিবার সন্ধ্যায় আগরতলা প্রেসক্লাব -এ আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘোষণা করে।সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর (ড:) বিপ্লব হালদার। উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার ড: এ. রঙ্গনাথ, ডিন (ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি) ড: পি. রানা বড়ঠাকুর, ফ্যাকাল্টি অব লিবারেল আর্টস-এর প্রিন্সিপাল ড: মৌসুমি বিশ্বাস এবং ডেপুটি ম্যানেজার (আইটি) সুজিত সূত্রধরসহ অন্যান্যরা।উপাচার্য জানান, নুতন চালু হওয়া কোর্সগুলির মধ্যে রয়েছে পাঁচটি স্নাতক স্তরের কোর্স—ব্যাচেলর অব অপটোমেট্রি, বি.এসসি. নার্সিং, বি.এসসি. ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি (অনার্স), বি.টেক কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (AI & ML) এবং বি. ফার্ম। এছাড়া একটি স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম হিসেবে মাস্টার অফ ডায়ালাইসিস থেরাপি টেকনোলজি, একটি ডিপ্লোমা কোর্স ডি ফার্ম এবং দুটি সার্টিফিকেট কোর্স—ফরাসি ভাষা ও হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীত চালু করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের জুনে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ২২ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি পেশাগত শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্টের মাধ্যমে জাতীয় ও বহুজাতিক সংস্থায় শিক্ষার্থীদের নিয়োগের ক্ষেত্রেও তাদের সাফল্য উল্লেখযোগ্য।২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে মোট ৩,৪৯৬ জন শিক্ষার্থী প্রায় ১২.৭৪ কোটি টাকার বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন স্কিমের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব এন. জে. যশস্বী মেমোরিয়াল মেরিট স্কলারশিপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের দ্বিতীয় পর্যায়ে কাজ করছে। এই প্রকল্পের আওতায় ১০০টি আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, উন্নত কম্পিউটার ল্যাব এবং শিক্ষকদের জন্য বিশেষ কর্মক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই অবকাঠামো ভবিষ্যতে অতিরিক্ত ১০,০০০ শিক্ষার্থী ধারণে সক্ষম হবে।প্রযুক্তিগত দিক থেকেও ক্যাম্পাসটি এগিয়ে রয়েছে। এখানে ২.৫ জিবিপিএস গতিসম্পন্ন Wi-Fi 6 নেটওয়ার্ক চালু রয়েছে এবং স্মার্ট ক্লাসরুমসহ আধুনিক শিক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জিও কর্তৃক TRUE-5G-সক্ষম ক্যাম্পাস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এই প্রতিষ্ঠান।শিল্পমুখী দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় Microsoft, Amazon Web Services, Oracle Corporation এবং Red Hat-এর মতো আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি সংস্থার সঙ্গে একাডেমিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছে, যা শিক্ষার্থীদের আধুনিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।






