34 C
Agartala
Saturday, March 7, 2026

Buy now

spot_img

ধলেশ্বরস্থিত রামকৃষ্ণ মিশনে পালন করা হল রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি

আগরতলা : বৃহস্পতিবার রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে পালিত হয় রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের জন্মতিথি। এই বছর রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের ১৯১তম জন্মতিথি ভক্তি ভরে শ্রাদ্ধার সঙ্গে সমগ্র দেশের সঙ্গে রাজ্যেও পালিত হয়। আগরতলার ধলেশ্বরস্থিত রামকৃষ্ণ মিশনে এইদিন সকাল থেকে পূজার্চনার মাধ্যমে ঠাকুরকে স্মরণ করা হয়। ভক্তবৃন্দের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। দিনভড় পূজা হোম প্রসাদ বিতরণ সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরমহংসদেবের জন্মতিথি পালন করা হয়। শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কামারপুকুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শ্রীহরির আশীর্বাদে জন্ম বলে তাঁর মা-বাবা তার নাম রাখেন গদাধর। গ্রামের সকলের প্রিয় ছিল গদাধর। আর পাঁচজন ছেলের সঙ্গে তাঁর তফাৎও ছিল নজরে পড়ার মতো। সাংসারিক কাজকর্ম বা অর্থ উপার্জনের লক্ষ্যে লেখাপড়ায় তাঁর মন ছিল না। বাকি ছেলেদের মতো গতানুগতিক লেখাপড়া না করে সে নিজের মতো করে বিদ্যার্জন করত। গদাধর খুব সুন্দর গাইতে পারত, ছবি আঁকা আর মূর্তি গড়াতেও সে পটু ছিল। গদাধরের যখন বয়স ষোলো, তখন দাদা রামকুমারের সঙ্গে সে কলকাতায় চলে আসে। বাবার মৃত্যুর পর থেকে সংসারে যে, আর্থিক টানাটানি চলছিল, তার সুরাহার চেষ্টাতেই বড় শহরে আসার এই সিদ্ধান্ত। সেই সময়েই রাণী রাসমণি দক্ষিণেশ্বরে একটি কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু নানা সমস্যার কারনে তা তিনি করতে পারছিলেন না। রামকুমার এসে সেই সমস্যার সমাধান করেন। এবং ১৮৫৫ খ্রীষ্টাব্দে দক্ষিণেশ্বরে মা ভবতারিণী মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। রামকুমার হলেন মন্দিরের প্রধান পূজারী। কিন্তু কালের বিধানে রামকুমার কিছুদিনের মধ্যেই দেহ ত্যাগ করেন। প্রধান পূজারীর ভূমিকা পেলেন গদাধর। তখন থেকেই সে গদাধর থেকে রামকৃষ্ণ হয়ে উঠে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles