আগরতলা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আসন্ন শারদীয় উৎসবকে সামনে রেখে রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং বিভিন্ন শ্রেণির অনিয়মিত কর্মীদের উৎসব অনুদান ৩০০ টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ত্রিপুরা সরকার। বুধবার সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি কর্মচারী, পেনশনভোগী ও পারিবারিক পেনশন প্রাপক, সরকারি মন্দিরের পুরোহিত এবং অনুমোদিত ডিআরডব্লিউ কর্মীদের উৎসব অনুদান ২,১০০ টাকা থেকে বেড়ে ২,৪০০ টাকা হয়েছে। এতে প্রায় ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৫০১ জন নিয়মিত ও চুক্তিবদ্ধ সরকারি কর্মচারী এবং ৮৫ হাজার ৯১৬ জন পেনশনভোগী বা পারিবারিক পেনশন প্রাপক উপকৃত হবেন।
এছাড়া পিটিডব্লিউ, ক্যাজুয়াল ও কন্ট্রাকচুয়াল কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা, হোমগার্ড, এসপিও এবং দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মীদের অনুদান ২,৩১০ টাকা থেকে বেড়ে ২,৬১০ টাকা করা হয়েছে। পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধি এবং গ্রামোন্নয়ন (পঞ্চায়েত) দপ্তরের অধীন পার্টটাইম পাম্প অপারেটরদের অনুদান ১,০৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৩৫০ টাকা করা হয়েছে।অর্থমন্ত্রী জানান, উৎসব অনুদান বৃদ্ধির ফলে রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৬ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে এই অনুদানের পরিমাণ ছিল ৭০০ টাকা।তবে সরকারি কর্মচারীদের অগ্রিম উৎসব অনুদান বা ফেস্টিভল অ্যাডভান্সের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকছে। এ বছর এই অগ্রিম অনুদানের জন্য NextGen HRMS-এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এর জন্য রাজ্য সরকারের প্রায় ১৮৩ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।তিনি আরও জানান, দুর্গাপূজার পাশাপাশি বড়দিন, গড়িয়া পূজা, বুদ্ধ পূর্ণিমা, ঈদ-উজ-জোহা, বাংলা নববর্ষ, ঈদ-উল-ফিতর, গুরু নানক জয়ন্তী ও মহাবীর জন্মজয়ন্তীর মতো বিভিন্ন উৎসবের জন্যও সরকারি কর্মচারীরা অগ্রিম উৎসব অনুদানের আবেদন করতে পারবেন। তবে একজন কর্মচারী যেকোনও একটি উৎসবের জন্য এই সুবিধা নিতে পারবেন।সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অর্থ দপ্তরের সচিব পি. কে. গোয়েল এবং অতিরিক্ত সচিব ড. আকিঞ্চন সরকার।





