আগরতলা : সারা দেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আজ রাজ্যেও যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হলো ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস। এ উপলক্ষে মূল রাজ্যস্তরের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় আসাম রাইফেলস ময়দানে। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা, রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, মুখ্যসচিব জে. কে. সিনহা, রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক অনুরাগসহ রাজ্য প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের পদস্থ আধিকারিকরা।
জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর ১৬টি প্ল্যাটুনের সমন্বয়ে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। কুচকাওয়াজের মাধ্যমে রাজ্যপালকে আনুষ্ঠানিক অভিবাদন জানানো হয়।অনুষ্ঠানে ভাষণ রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু বলেন, ১৯৫০ সালের এই দিনে ভারতবাসী নিজেদের জন্য সংবিধান গ্রহণ করেছিল, যা দেশের সকল নাগরিকের জন্য ন্যায়, সাম্য ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে আমরা আমাদের মহান রাষ্ট্রের একতা ও অখণ্ডতা রক্ষার অঙ্গীকার নিয়েছিলাম। তিনি বলেন, সংবিধান আমাদের অধিকার লিপিবদ্ধকারী একটি দলিল এবং কর্মক্ষেত্রে একটি পথপ্রদর্শক। এমন একটি গৌরবময় দলিলের অস্তিত্ব রক্ষায় সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।
রাজ্যপাল আরও বলেন, প্রজাতন্ত্র দিবস হলো ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মবলিদান দেওয়া মহান নারী-পুরুষদের স্মরণ করার দিন। তাঁদের ত্যাগের বিনিময়েই আজকের স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক ভারত গড়ে উঠেছে।রাজ্যের কৃষি পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল জানান, ত্রিপুরার প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। রাজ্যের কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার পরিকল্পিত ও আধুনিক কৃষিকাজের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছে।অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের চেতনা ও মূল্যবোধকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়।





