আগরতলা, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও মানবসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলেন বিএসএফ জওয়ানরা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তা সহ নানা সমস্যা দূরীকরণে রাজ্যভিত্তিক ও জেলাভিত্তিক কোঅর্ডিনেশন কমিটি গঠন করা হবে। বর্তমান রাজ্য সরকার হল জনগণের সরকার। নানা সমস্যা সমাধানের সরকার। রাজ্যের নিরাপত্তা সহ মানুষের স্বার্থে সব ধরণের সমস্যা সমাধানে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর। বর্তমানে রাজ্যে বিএসএফ, টিএসআর এবং রাজ্য পুলিশ এই ত্রিস্তরের আরক্ষা বাহিনীর সহায়তায় সীমান্ত সুরক্ষিত রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ জওয়ানদের অবদান সবচেয়ে বেশি রয়েছে। এজন্য বিএসএফ বাহিনীকে ফ্রন্ট রানার বলা হয়। রাজ্যে সীমান্ত এলাকার কাঁটা তারের বেড়া এবং বিএসএফ এর ক্যাম্পগুলিকে সুরক্ষিত রাখার জন্য রাজ্য সরকার নানা ভাবে সহযোগিতা করছে।রবিবার শালবাগানস্থিত বিএসএফ ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ার এবং রোটারি ক্লাব অফ অ্যাসপিয়ারিং-আগরতলার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি রক্তদান কর্মসূচি সহ নানা সমাজসেবামূলক কাজে বিএসএফ বাহিনীর অবদান রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ জওয়ানরা আছে বলেই দেশের ও রাজ্যের জনগণ সুরক্ষিত ও শান্তিতে রয়েছেন। তিনি বলেন, রক্তদান আজ রাজ্যে এক নবজাগরণের রূপ নিয়েছে। তিনি বলেন, সমাজের সেবামূলক কাজে মানুষ নিজেকে যতবেশি নিয়োজিত করবে সমাজ ততবেশি সুন্দর ও উপকৃত হবে। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার রক্তদানের পাশাপাশি চক্ষু ও নানা অঙ্গদানেও মানুষকে উৎসাহিত করছে। অঙ্গদানের ক্ষেত্রেও আজ রাজ্য এগিয়ে চলেছে। রক্তদান শিবিরের প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিএসএফ জওয়ানদের এই উদ্যোগ সমাজের জন্য এক ইতিবাচক বার্তা বয়ে আনবে। তিনি যুবসমাজকে মানুষের সেবায় আরও বেশি করে রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএসএফ ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারের আইজি প্রিন্সিরাণী বলেন, রক্তদান শিবির শুধু একটা শিবির নয়, এটা মানবতার দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, বিএসএফ ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ার এখন পর্যন্ত ১ হাজার ইউনিট রক্তদান করেছে। এছাড়া বক্তব্য রাখেন রোটারি ক্লাব অফ অ্যাসপিয়ারিং- আগরতলার সভাপতি রাজীব বণিক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রোটারি ক্লাব অফ অ্যাসপিয়ারিং- আগরতলার সচিব রীতা ব্যাসনেট দেববর্মা। এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএসএফ ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারের স্বাস্থ্য বিভাগের ডিআইজি ডা. সুচন্দ্রা দে। অনুষ্ঠানে বিএসএফ ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারের আইজি প্রিন্সিরাণী মুখামন্ত্রীকে স্মারক উপহার দিয়ে সম্মাননা জ্ঞাপন করেন।
