Site icon northeast8.com

মৎস্য শিক্ষায় আরও জোর, পৃথক মৎস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বললেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী

আগরতলা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : লেম্বুছড়াস্থিত ত্রিপুরা কলেজ অফ ফিশারিজের ২৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস শনিবার উদযাপিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী কিশোর বর্মন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী রাজ্যে পৃথক মৎস্য বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পৃথক মৎস্য বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠলে মৎস্য শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন আরও শক্তিশালী হবে। তাঁর মতে, কলেজ অফ ফিশারিজ ইতিমধ্যেই রাজ্যে মৎস্য শিক্ষা, দক্ষতা ও জ্ঞানচর্চার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।শিক্ষার সঙ্গে বাস্তব জীবনের সমস্যার সংযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি জ্ঞান, গবেষণা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের উন্নয়ন এবং মাছ উৎপাদনে রাজ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে মৎস্য ক্ষেত্রের গুরুত্ব তুলে ধরেন।এদিন অনুষ্ঠানে ‘রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম’ (RAS), ‘ফিশ সিড রিয়ারিং ইউনিট’ এবং ছাত্রদের হোস্টেল ভবনের সম্প্রসারিত অংশের উদ্বোধন করা হয়।প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে ‘বার্ষিক কলেজ সপ্তাহ-২০২৬’-এর সাহিত্য, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের ট্রফি প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ ও ‘একাডেমিক এক্সিলেন্স’ পুরস্কারও দেওয়া হয়। ২০২৫-২৬ সালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য ও অবদানের জন্য ৩৯ জন কৃতি প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা জানানো হয়।আইসিএআর এআইইইএ (পিজি)-২০২৬ পরীক্ষায় কলেজের শীর্ষ দুই স্থানাধিকারীকে ‘প্রফেসর জে. আর. ধানজে মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। এছাড়া ফিশারিজ সায়েন্সে সর্বভারতীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জনকারী এস. দিনেশ সিংকে বিশেষভাবে সংবর্ধিত করা হয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক রতন কুমার সাহা, প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের বিশেষ সচিব এস. প্রভু, কলেজ অফ এগ্রিকালচারের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দেবাশিস সেনসহ অন্যান্য বিশিষ্টজন। কলেজের ডিন অধ্যাপক অরুণ ভাই প্যাটেল অনুষ্ঠানে সহযোগিতার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পরে কলেজের আধিকারিক এম. সঞ্জু সিংয়ের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Exit mobile version