Site icon northeast8.com

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গরীব মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন: সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব

আগরতলা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গরীব মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গরীব মানুষের কল্যাণে নানাবিধ প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে।এর সুফল এখন দেশের বিভিন্ন অংশের মানুষ ভোগ করছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ প্রাঙ্গণে সেবা সংকল্প অভিযান উপলক্ষ্যে আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব একথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতকে এক অসাধারণ উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়নে তাঁর নেতৃত্বে ভারতের ভূমিকা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও সবার প্রশংসা কুড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত অর্থনীতির ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য দেখাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘায়ু কামনা করে তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদি মানেই উন্নয়ন। উন্নয়নের এক নতুন দিশা তিনি সবার সামনে তুলে ধরেছেন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, নরেন্দ্র মোদি ভারতের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে একটি বড় ভূমিকা পালন করছেন। তিনি যেমন দক্ষতার সঙ্গে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন ঠিক তেমনি ২০১৪ সাল থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বের গুণাবলী আজ সারা দেশ পর্যবেক্ষণ করছে। ত্রিপুরার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ অবদান রয়েছে বলে উল্লেখ করে শ্রী ভট্টাচার্য বলেন, দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে ত্রিপুরার রেল পথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এসময়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে রাজ্যের রেল পথে যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে।স্বাগত বক্তব্যে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা মন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর যেসমস্ত প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এতে দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় মান পরিবর্তন এসেছে। রাজ্যের উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এসময়ে ব্যাপক সাফল্য এসেছে। রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। একসময় ধর্মনগর থেকে আগরতলায় আসতে অনেক সময় লেগে যেত। এখন অনেক কম সময়ে আগরতলায় এসে আবার ধর্মনগর পৌঁছে যাওয়া যাচ্ছে।অনুষ্ঠানে ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল। অনুষ্ঠানে আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার সহ অন্যান্যরা  উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শুরুর আগে অতিথিগণ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন।

Exit mobile version