আগরতলা : ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে রবিবার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে রাজ্যভিত্তিক জনজাতি লোকনৃত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের সচিব ড. কে শশীকুমার।উদ্বোধনী ভাষণে ড. কে শশীকুমার বলেন, ত্রিপুরার বৈচিত্র্যময় জনজীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো জনজাতি লোকনৃত্য। এই লোকনৃত্য কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং দেশের ইতিহাস, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং জীবনযাত্রার প্রতীক। এ ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জনজাতি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা সুভাশিষ দাস। তিনি বলেন, জনজাতি সংস্কৃতির বিকাশ ও সংরক্ষণে এ ধরনের প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রাজ্যভিত্তিক এই জনজাতি লোকনৃত্য প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন জেলা থেকে মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করে। দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা থেকে সিন্ধুকপাথর সাংগ্রাই ডান্স একাডেমির সাংগ্রাই নৃত্য, সিপাহীজলা জেলা থেকে তৈবান্দল মুড়াসিং কালচারাল টিমের মসক সুলমানি নৃত্য, গোমতী জেলা থেকে আঠারভোলা কিল্লার গড়িয়া একাডেমির গড়িয়া নৃত্য, ধলাই জেলা থেকে আমবাসার হজাগিরি নৃত্য, ঊনকোটি জেলা থেকে পেঁচারখলের কৃষ্ণটিলার হজাগিরি নৃত্য, উত্তর ত্রিপুরা জেলার নাইসিংপাড়ার হজাগিরি নৃত্য, পশ্চিম জেলা থেকে মামিতা নৃত্য এবং খোয়াই জেলা থেকে আমপুরা হুকুমু বদল লেবাং বুমানি নৃত্যের দল অংশগ্রহণ করে।প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিকাশ রায় দেববর্মা, রুহি চন্দ্র দেববর্মা ও তরুবালা দেববর্মা।এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা অভিজিৎ রিয়াং, উপ অধিকর্তা দেবী হালামসহ বিভিন্ন জনজাতি সম্প্রদায়ের সমাজপতি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।





