আগরতলা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক মনোভাব গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে অনুষ্ঠিত হলো ‘টেক টক—ডিবিটিস মিট দ্য স্কলার’ শীর্ষক কর্মশালা। বায়োটেকনোলজি ডিরেক্টরেট এবং ত্রিপুরা বায়োটেকনোলজি কাউন্সিলের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা।কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, রাজ্যে গবেষণার পরিকাঠামো আরও উন্নত করার পাশাপাশি গবেষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে গবেষণার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, বিজ্ঞানের কোনও নির্দিষ্ট ভাষা নেই। কৌতূহল ও জিজ্ঞাসাই বিজ্ঞানের মূল ভিত্তি। নতুন কিছু জানার আগ্রহ থেকেই গবেষণার সূচনা হয়। তাঁর মতে, ত্রিপুরাকে গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। গবেষকদের প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ও সহায়তা প্রদান করা গেলে রাজ্যে গবেষণার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।মন্ত্রী আরও বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ সৃষ্টি করাও জরুরি। এর মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ত্রিপুরা আরও এগিয়ে যেতে পারবে।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বায়োটেকনোলজি দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা অঞ্জন সেনগুপ্ত। কর্মশালায় ‘কলেজ বায়োটেক ক্লাব’ নামের একটি বইয়ের আবরণ উন্মোচন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীসহ অন্যান্য অতিথিরা। পাশাপাশি কলেজ বায়োটেক ক্লাবের কার্যক্রমের উপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আগরতলা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. বিধান গোস্বামী এবং রামঠাকুর কলেজের অধ্যাপিকা ড. পাপড়ি দাস সেনগুপ্তকে গবেষণার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করেন মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা।কর্মশালায় বায়োটেকনোলজি কাউন্সিল ও দপ্তরের আধিকারিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন কলেজ ও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অধ্যাপক এবং ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের শেষে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা।
