Site icon northeast8.com

ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনফ্রেন্ড-২০২৬ঃ মুখ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে . আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গনে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আগরতলা, ৫ জুলাই, ২০২৬ :  আগামী ৯ জুলাই থেকে হাঁপানিয় আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গনে হতে যাচ্ছে দু’দিনব্যাপী ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভ-২০২৬। এই উপলক্ষে আজ মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা) মানিক সাহার সভাপতিত্বে মেলা প্রাক্ষণস্থিত অডিটোরিয়ামে এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অলোচনাকালে মুখামন্ত্রী বলেন, রাজ্যের যুব সমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি মাথাপিছু গড় আয় ও জিএসডিপি বৃদ্ধিতে রাজ্যে দেশী বিদেশী বিনিয়োগ প্রয়োজনীয়।। সেই দিক দিয়ে এই ধরনের বিজনেস কনক্লেভের গুরুত্ব অনস্বীকার্য রাজো প্রথমবারের মত এত বৃহৎ আকারে বিজনেস কনক্লেভের অয়োজন করা হচ্ছে, যা একথায় অদ্ভুতপূর্ব। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ বদলে যাচ্ছে। তিনি জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে কর্মচারীদের মধোও দেশের কলাহণে কাজ করার মানসিকতা সৃষ্টি করেছেন।মুখ্যমন্ত্রী আলেচনায় আরও বলেন জি-২০, নাইস্ট কাউন্সিলের প্লানারী বৈঠক, আয়োজনে রাজোর সর্বজরের কর্মচারীগণ একজোট হয়ে টিম ত্রিপুরা হিসেবে কাজ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন এই অনুষ্ঠানও সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে সফলভাবে অগ্ন্যাজিত হবে। মুখামন্ত্রী বলেন, এবারের বিজনেস কনক্লেভে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। এই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলি কাজ করছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, তথা ও প্রযুক্তি, পরিবহন, পর্যটন ক্ষেত্রগুলির বিভিন্ন প্রকল্পে সর্বাপেক্ষা বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, গতবছরের বিজনেস কনক্লেভে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এরমধ্যে ৮ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ সম্পর্কিত কান্ড মাঠ পর্যায়ে শুরু হয়ে গেছে। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে এই কর্মসূচিকে ফলপ্রসূ করে তুলতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের পরামর্শও প্রদান করেন। করেন। পর্যালোচনা সভায় সভায় প্রাথমিক পর্যায়ে এই কর্মসূচিটির সার্বিক চিত্র তুলে ধরে শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ হিতো বলেন, ৯ জুলাই বিকেলে এই কনক্লেভের সূচনা করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা) মানিক সাহা কেন্দ্রীয় ডোনারমান্ত্রী জ্যোতিরাদিতা সিন্ধিয় ছাড়াও রাজ্য মন্ত্রীসভার সদস্য সদস্যাগণ উপস্থিত থাকবেন। এই উপলক্ষো হাঁপানিয়া আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গনে থিমভিত্তিক বিভিন্ন দপ্তরের এবং কেন্দ্রীয় পি এস ইউ-এর ২০টির বেশী প্রদশনী স্টল থাকবে। দেশ ও বিদেশের ৫০০ জন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, হাইকমিশন, কনসালটেন্টদের আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। ইতিমধো বাংলাদেশ, ফিলিপিস্, কাজাকিস্থান, মালতীপ, নেপাল, উজবেকিস্থানের মতো দেশগুলির প্রতিনিধিগণ কনক্লেভে আসার কথা সুনিশ্চিত করেছেন। তাছাড়া রাশিয়া ইন্দোনেশিয়ার প্রতিনিধিগণ এবিষয়ে সদর্থক রয়েছেন। ২ দিনের এই কনক্লেভে স্বাস্থা, পর্যটন, শিক্ষা লজিস্টিকস, তথ্য ও প্রযুক্তি, পুনর্নবীকরণ শক্তি, রিয়েল এস্টেট, খাদ্য পতিনাকরণের পাশাপাশি চা রাখার মগর ভিত্তিক শিল্প বিষয়ে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হবে।বলেন দিনের এই কনক্লেভে বিভিন্ন দপ্তরের প্রদর্শনী ছাড়াও, মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের সঙ্গে আগত প্রতিনিধিদের সরাসরি মিটিং, রাউন্ড টেবিল ডিনার, সেক্টোরাল প্রেজেন্টেশান, বিজনেস রিফর্মস ও ইকোনমিক রিফর্মস নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা, মউ কর্মসূচি থাকবে। এই কনক্লেভের ইন্ডাস্ট্রি পার্টনার হল ফিকি (FICCI) এবং সহায়তায় রয়েছে ইনভেস্ট ইন্ডিয়া। পর্যালোচনা সভায় আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যসচিব জিতেন্দ্র কুমার সিনহা কর্মসূচির সামগ্রিক সফলতা দেশ-বিদেশে রাজ্যের নামকে আরও অনেক উঁচুতে তুলে ধরতে সক্ষম হবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইনী সরলীকরণে দেশের মধ্যে রাজ্য প্রথম স্থানে রয়েছে। আর এর প্রভাব অনুধাবন করার জনা কেন্দ্রীয়ন্তরের আধিকারিকদেরও এই কনক্লেভে যোগদানের সম্ভবনা রয়েছে। সভায় এছাড়াও বক্তব্য রাখেন রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক অনুরাগ। কনক্লেভ উপলক্ষে যে সমস্ত দপ্তরের পক্ষ থেকে প্রদর্শনী স্টল । স্টল খোলা হবে তাদের সচিবণণ নিজ নিজ দপ্তর সম্পর্কিত বিনিয়োগের পরিমান ও সম্ভাবনা মট স্বাক্ষর ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত অলোচনা করেন। পর্যালোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মীনারানী সরকার, প্রধান সচিব শাম্ভুনু সহ বিভিন্ন দপ্তরের সচিব, অধিকর্তা ও

Exit mobile version